
জেএনএফ, মেদিনীপুর : রবিবার SACTWA সংগঠনের ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হল মেদিনীপুর শহরের রেডক্রশ সভাগৃহে। প্রদীপ জ্বালিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিবেকানন্দ চক্রবর্তী। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক গোপালচন্দ্র ঘোষ, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক ননীগোপাল দাস সহ ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন কলেজের SACTWA সংগঠনের প্রায় দু’শো সদস্য। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সেবাভারতী মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষক তথা ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর দুই জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত অমিতাভ পাহাড়ী। সংগঠনের সদস্যারা চন্দনের ফোঁটা, উত্তরীয়, পুষ্পস্তবক এবং স্মারক দিয়ে অতিথিদের বরণ করে নেন। তারপর রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিবেকানন্দ চক্রবর্তী বলেন,’রাজ্যের কলেজ গুলিতে পূর্ণ সময়ের অধ্যাপকের থেকে অনেক বেশি স্যাক্টদের সংখ্যা। স্যাক্টরাও পূর্ণ সময়ের অধ্যাপকদের মত ক্লাস নেন এবং নানাবিধ কলেজের কাজ করেন। কিন্তু বেতনের ক্ষেত্রে বিস্তর ফারাক রয়েছে। নতুন সরকার আসার আগে সমকাজে সমবেতনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কিন্তু বাস্তবে তার প্রতিফলন হয়নি। সামান্য কয়েক হাজার টাকা বৃদ্ধি করে নিজেদের দায় সেরেছেন নতুন সরকার। এ বিষয়ে সুযোগ পেলে আমি সরকারের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করব।’ SACTWA সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক গোপালচন্দ্র ঘোষ বলেন,’আমরাও চাই হরিয়ানা মডেলের সুবিধা পেতে। আমাদের রাজ্যে বর্তমান উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে SACT শিক্ষকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কোন প্রেক্ষাপটে SACT তৈরি হল? তার ইতিবৃত্তান্ত অনেকেরই অজানা। অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে SACT তৈরি হওয়ার পর থেকে SACTWA শিক্ষকদের স্বার্থে কাজ করে চলেছে।’ রাজ্যের বিভিন্ন কলেজ এবং ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কলেজ গুলিতে SACT শিক্ষকদের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন গোপালচন্দ্র ঘোষ বলেন,’অনেক কলেজে পূর্ণ সময়ের শিক্ষকদের থেকেও কয়েকগুণ বেশি SACT রা। অনেক কলেজের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের দ্বায়িত্বেও SACT শিক্ষকরাই সামলাচ্ছেন। তাই আশারাখি ডবল ইঞ্জিনের সরকার সুযোগ সুবিধা সমস্ত স্যাক্টদের দেবেন।’



