Breaking
26 Jun 2026, Fri

এবার ঝাড়গ্রামে দেখা মিলল সার্টিফিকেট সহ ভুয়ো ছাত্রের! তার বাড়ি সুলতানপুরে!


জেএনএফ ওয়েব ডেস্ক : ভুয়ো সিবিআই অফিসার, ভুয়ো আইএএস অফিসার, ভুয়ো মেডিক্যাল সংগঠনের অফিসারের পর এবার ঝাড়গ্রামে দেখা মিলল সার্টিফিকেট সহ ভুয়ো ছাত্রের! হ্যাঁ ঠিকই শুনছেন। ভুয়ো মূক-বধির ছাত্রের সন্ধান পাওয়ার পরই ঝাড়গ্রাম শহরবাসী চিন্তিত! ঘটনার সূত্রপাত্র শুক্রবার দুপুর। ঝাড়গ্রাম শহরের রঘুনাথপুরে শিক্ষক সন্দীপ করনের বাড়িতে আচমকা উদয় হয় ওই ভুয়ো ছাত্রের। শিক্ষকের বাড়িতে রাজমিস্ত্রির কাজ চলছিল, সেই সুযোগে তিনটে দরজা টপকে সোজা দোতলায় উঠে আসে ভুয়ো ছাত্রটি। মূক ও বধির বলে নিজে দাবি করে একটি সার্টিফিকেট দেখায়। দুঃস্থ বলে তাকে আর্থিক সাহায্যও করেন শিক্ষক সন্দীপ করন। কিন্তু পরক্ষণেই তাঁর ভুল ভাঙে! কোভিড কালে ছাত্র এসেছে সুলতানপুর থেকে। সুলতানপুর তো উত্তরপ্রদেশে। এত দূর থেকে এল কিভাবে? তখনই প্রতিবেশি কিছু বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই ছাত্রের সন্ধানে বেরিয়ে পড়েন তাঁরা। শহরের সেটেলমেন্ট মোড়ে তাকে দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু নিজের ঠিকানা বা স্কুলের ফোন নম্বর কিছুই দিতে চায়নি সে। তখন সন্দেহ আরো ঘনীভূত হয়। সন্দীপ করন বিষয়টি নিজের ফেসবুকে পোস্ট করতেই এই প্রতারণা যুবকের কথা আরো অনেকে জানান। সন্দীপ করন বলেন,‘সন্ধ্যে বেলা জানতে পারি সে প্রকৃতপক্ষে মূক ও বধির কিনা তা নিয়ে অবশ্য সন্দেহ রয়েছে। কিন্তু ওই ছাত্রের কাগজপত্র গুলো সম্পূর্ণ ভুয়ো। যে সার্টিফিকেট দেখিয়ে টাকা তুলছে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেই সার্টিফিকেট আসল নয়। আর সুলতানপুরে বাড়ি হলে একজন মূক-বধির ছাত্র কেন উত্তরপ্রদেশ ছেড়ে ঝাড়গ্রামে আসবে? অন্য কোন বড় চক্রের সাথে যুক্ত কিনা তাও বুঝতে পারছি না। কি উদ্দেশ্য নিয়ে বাড়ির দোতলায় উঠেছিল তাও বুঝতে পারছি না। থানায় ফোন করে পুলিশের হাতে তুলে দিই ওই ছাত্রকে।’ সন্দীপের এই পোস্টের পর ঝাড়গ্রামের একাধিক ব্যক্তি এরকম যুবকদের দ্বারা ভুল বুঝিয়ে প্রতারিত হয়েছে বলে জানান। কোভিড কালে কি ভুয়ো সার্টিফিকেট দেখিয়ে অর্থ তোলার চেষ্টা না এর পিছনে অন্য কিছু আছে তা তদন্ত সাপেক্ষ বিষয়। যা নিয়ে চিন্তিত ঝাড়গ্রাম শহরবাসী!

Developed by